Wood Mini Speaker
প্রথমেই শুরু করা যাক আমাদের হাতে থাকা সবথেকে ছোট্টবন্ধুকে দিয়ে। এটি একটি ননব্র্যান্ড উডেড ফ্রেমে তৈরি মিনি স্পিকার। এর প্যাকেটিও ছোটো; উচ্চতায় মাত্র ১১ সেন্টিমিটার এবং পাশে .৭ সেন্টিমিটার। এবং প্যাকেটিতেও একটি উডেড টেক্সটার রয়েছে। প্যাকেটির সামনের দিকটিতে রয়েছে ট্রান্সপারেন্ট প্ল্যাস্টিক যার মধ্যে দিয়ে রাউন্ড শেপের ছোট্ট স্পিকারটিকে দেখা যায়। খুবই সাদা মাটা প্যাকেজিং।
প্যাকেটির দুই পাশে রয়েছে আইডেন্টিক্যাল ডিজাইন। যাতে উল্লেখ রয়েছে এর কিছু ফিচার। এবং পেছনের দিকে উল্লেখ রয়েছে এর কিছু স্পেসিফিকেশন।
চলুন আনবক্স করাযাক এটিকে।
প্যাকেটটি খুলতেই বেরিয়ে আসবে স্পিকারটি। এবং সাথে থাকা চার্জারটি। ছোট এই স্পিকারটি হাতে নিলে বোঝা যায় এর কাঠের ফ্রেমে এই স্পিকারটি খুবই প্রিমিয়াম ফিল দেয়। কাঠের ফ্রেমটা খুবই স্মুদ।
এর উপরের দিকটায় স্পীকারের কাটআউট দেয়া রয়েছে এবং নিচের দিকে রয়েছে পাওয়ার বাটন এবং চার্জি পোর্ট।
চাজিং পোর্টের নিচেই রয়েছে একটি ব্লু LED। প্রথমবার অন করলে এটি ব্লিংক করতে থাকবে। এবং আপনার ডিভাইসের সাথে কানেক্টড হয়ে গেলে ব্লু লাইটটি জ্বলতে থাকবে।
যদি এর সাউন্ডের কথা বলি- এর সাথে রয়েছে থ্রিওয়াটের একটি ছোট স্পিকার। অতএব স্পিকারটি ইনডোরে বা ছোট কিংবা মিডিয়াম সাইজ রুমের জন্য পরফেক্ট হতে পারে যদি আপনি শুধুমাত্র ডিসেন্ট সাউন্ড আশা করেন। কারণ এই স্পিকারটির ফ্রিকোয়েন্সি রেসপন্স রেট ২০-২০কিলোহার্জ।
এই স্পিকারটির সাথে রয়েছে একটি ৩০০ মিলি অ্যাম্পেয়ারের ব্যাটারি, যা আপটু দুই ঘন্টারমত ব্যাকআপ দিতে পারে এবং রিচার্জ হতে সময় নেয় দুই ঘন্টার মত। এবং এর ব্লুটুথ রেঞ্জ আপটু ১০মিটার।
শৌখিন মানুষদের ডেস্কে থাকারমত একটি স্পিকার এটি। অথবা আপনার যদি একটি মিনিমাল সেটআপ থাকে সেখানেও কিন্তু জায়গা করে নিতে পারে এই স্পিকারটি। এছাড়াও এটি হতে পারে আপনার ট্রাভেল কম্পিনিয়ন।
ছোট এই স্পিকারটির মূল্য ৬৫০ টাকা।
Soppow Wireless Speaker
এরপরে আমাদের হাতে রয়েছে SOPPOW-এর একটি ট্রান্সপারেন্ট স্পিকার। কিছুদিন আগেও আমরা রিভিউ করেছিলাম এই স্পিকারটি। তাই খুববেশি ডিটেইলস বলছি না। আইবাটনে এবং ডেসক্রিশনে দেওয়া থাকবে আগের ভিডিওর লিংকটি।
এই স্পিকারটির সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং পার্ট হচ্ছে এই স্পিকারটির মাত্র ৫ ওয়াট কনসাম্প করে। এর সাথে রয়েছে একটি ৫০০ মিলি এম্প্যায়েরর ব্যাটারি। এবং ৩ঘন্টার প্লেব্যাক টাইম পাওয়া যাবে বলে ক্লেইম করছে কোম্পানিটি। তবে এর সাথে থাকা আরজিবি লাইট ব্যবহার করলে কিন্তু এই সময়ের তারতম্য হবে।
এছাড়া ৫০০ মিলি এম্প্যায়েরর ব্যাটারিটি রিচার্জ হতে সময় ২-৩ ঘন্টার মত।
স্পিকারটি ব্লুটুথ কভারেজ রেঞ্জ আপটু ১০ মিটার।
এই স্পিকারটি একটি মজার বিষয় হচ্ছে- আপনার কাছে যদি দুটি স্পীকার থাকে তাহলে স্পিকার দুটি অন করার পর কিন্তু তারা নিজেরাই অটোমেটিক কানেক্ট হয়ে যায়। এবং স্পিকারগুলো তখন স্টেরিও মুডেও চলে।
এছাড়া এর পাওয়ার বাটনের পাশে আরেকটি বাটন আছে যার মাধ্যমে আপনারা আরজিবি লাইটগুলো কন্ট্রোল করতে পারবেন।
এই স্পিকারটির প্রাইজ হচ্ছে ১১৫০ টাকা।
Hoco HC16
আমাদের তালিকায় তৃতীয় নাম্বারে রয়েছে Hoco-র HC16 মডেলের একটি ব্লুটুথ স্পিকার। মাত্র ৩৪৮ গ্রামের এই এই স্পিকাটারটির কয়েকটি কালার ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে। আমাদের স্টুডিওতে আছে এর ক্যামোফ্লেজ ভার্সনটি।
Hoco-র HC16 মডেলের এই স্পিকারটিতে রয়েছে 45mm-এর দুটি ড্রাইভার। প্রত্যেকটি ৫ ওয়াটা করে মোট ১০ওয়াটের। রয়েছে JL AC6965E চিপসেটে এবং ব্লুটুথ 5.3। এবং এর ওয়ার্কি রেঞ্জ হচ্ছে প্রায় ১০মিটার।
এই ব্লুটুথ স্পিকারটির রয়েছে ১২০০ মিলি অ্যাম্পেয়ারের ব্যাটারি যা দুই থেকে ৩ ঘন্টারমত ব্যাকাপ দিবে। এবং রিচার্জ করার জন্য রয়েছে টাইপ-সি পোর্ট; রিচার্জ হতে সময় নিবে প্রায় তিন ঘন্টারমত।
পোর্ট হিসেবে এই স্পিকারে রয়েছে মাইক্রো-এসডি কার্ড স্লট, ইউসবি পোর্ট, Aux পোর্ট এবং FM রেডিও।
এর USB port দিয়ে আপনি পেনড্রাইভ বা কার্ড রিডার ব্যবহার করে অডিও প্লে করতে করতে পারবেন এবং Aux পোর্ট ব্যবহার করে সরাসরি মোবাইল থেকে অডিও প্লে করতে পারবেন।
এছাড়া স্পিকারটিতে বাটন হিসেবে রয়েছে – পাওয়ার অন/অফ বাটন, ভলিউম প্লাস/মাইনাস বাটন এবং মোড চেঞ্জ বাটন। এবং বাটনগুলোর পাশে রয়েছে ছোট একটি আরজিবি লাইটি। মোড চেঞ্জ বাটনটি দিয়ে এর সাথে থাকা ছোট আরজিবি লাইটিও কন্ট্রোল করা যাবে।
স্পিকারটিকে ক্যারি করার জন্য এর সাথে রয়েছে মোটামুটি ভালো সাইজের একটি প্যারাকড। যার সাহায্যে আপনি স্পিকারটি যেকোন জায়গায় ঝুিলিয়ে দিতে পারবেন এবং যেহেতু এটি হতে পারে আপনার একটি ট্রাভেল কম্পেনিয়ন তাই এতে রয়েছে IPX4 ওয়াটাররেজিটেন্স রেটিং। অর্থাৎ স্পিকারটি গুরি গুরি বৃস্টি বা হালকা পানির ছিটা…. এ ধরনের পরিবেশের জন্য উপযুক্ত। তবে কোনভাবেই পুরোপুরি পানিতে ভেজানে উচিত নয়।
এই স্পিকারটির রেগুলার প্রাইজ হচ্ছে 1450 টাকা।
Z10
আমাদের তালিকায় চতুর্থ নম্বরে রয়েছে আরেকটি চাইনিজ স্পিকার Z10। এটি সাইজে অন্য সবার বড় ভাই। বক্সটির সাইজ প্রায় ১৪ ইঞ্চি+। হোয়াইট/রেড/ব্ল্যাক কালারের টাচ রয়েছে বক্সে। আর সামনে পেছনে বড় করে ছবি রয়েছে স্পিকারটির; সাথে কিছু ফিচার উল্লেখ করা রয়েছে।
আনবক্সিং
খুবই ব্যাসিক প্যাকেজিং। চলুন দেখে নেয়া যাক কি রয়েছে এর ভিতরে……………………….
এই স্পিকারটির ডিজাইন রেগুলার ব্লুটুথ স্পিকারগুলো থেকে একটু আলাদা। এর বাটনগুলো স্পিকারের মধ্যে না দিয়ে আলাদাভাবে স্পিকারের সামনের দিকে রয়েছে অনেকটা কম্পিউটারের কিবোর্ডের স্টাইলে। এছাড়া আপনি যদি আরজিবি লাভার হন তাহলেও এটি আপনাকে নিরাশ করবে না।
স্পিকারটিতে রয়েছে ব্লুটুথ 5.3 এর ইফেক্টিভ অপারেটিং রেঞ্জ হচ্ছে ৮-১০ মিটারের মত। এতে রয়েছে দুটি বিল্ড ইন হাইফাই স্পিকার। প্রত্যেকটি 10 ওয়াট করে।
স্পিকারটিকে পাওয়ারআপ করার জন্য এতে রয়েছে ২৪০০ মিলিঅ্যাম্পের ব্যাটারি। এবং এর প্লেব্যাক টাইম হচ্ছে ৩-৫ ঘন্টার মত। এবং রিচার্জ করতে টাইম নিবে প্রায় দুই ঘন্টা। রিচার্জের জন্য সাথে রয়েছে টাইপ-সি ক্যাবল।
ব্লুটুথের পাশাপাশি এই স্পিকারটিতে রয়েছে USB পোর্ট, মইক্রোএসডি স্লট, এবং এফএম রেডিও।
চলুন দেখে নেয়া যাক স্পিকারটির ব্যাসিক অপারেশন।
প্রথমেই আমরা দেখেছি এই স্পিকারটির ডিজাইন গতানুগতিক স্পিকার থাকে একটু ভিন্ন। েএর বাটনগুলো সামনের দিকে আলাদা ভাবে দেওয়া এবং কিবোর্ডের সুইচ দিতে তৈরি বোঝা যাচ্ছে। এই বাটনগুলো দিয়ে ভলিউম কমানো বাড়ানো, পাওয়ার অন/অফ এবং এর মুড চেঞ্জ ও আরজিবি লাইটগুলো কন্ট্রোল করা যাবে।
প্রথমবার স্পিকারটি অন করলে মোবাইলের সাথে এটিকে পেয়ার করে নিতে হবে। যেহেতু স্পিকারটিতে অনেকগুলো মুড আছে এর পর থেকে যখনই স্পিকারটিকে অন করা হবে এটি বন্ধ করার সময় যে মুডে ছিল সে মুডেই ওপেন হবে।
স্পিকারটির ভলিউম মাইনাস বাটনটি একবার শর্ট প্রেস করলে লাস্ট যেই অডিওটি চলেছিল সেটি প্লে হবে এবং যদি এফএম রেডিও মুডে থাকে তাহলে আগের চ্যানেলটিতে ফিরে যাবে এছাড়া লং প্রেস করলে ভলিউম কমবে।
একই রকমভাবে এর ভলিউম প্লাস বাটনটিতে শর্ট প্রেস করলে নেক্সট অডিও প্লে হবে এবং রেডিও মুডে থাকলে নেক্সট চ্যানেলে চলে যাবে ও লং প্রেস করলে ভলিউম বাড়বে।
প্লে/পজ বাটনটিতে শর্ট প্রেস করলে অডিও প্লে/পজ হবে আমরা জানি। এবং রেডিও মুডে থাকলে এটি রেডিও চ্যানেল সার্চ করতে থাকবে।
স্পিকারের পাওয়ার বাটনটি লং প্রেস করে অন/অফ করা যাবে। এবং অন অবস্থায় শর্ট প্রেস করলে এর আরজিবি লাইটগুলোকে কন্ট্রোল করা যাবে।
এছাড়া এই স্পিকারে যেহেতু অনেকগুলো মুড আছে এর মুড বাটনটি প্রেস করলে মুডগুলো সুইচ করবে।
আপনি যদি শুধুমাত্র ঘরে ব্যবহার করতে চান মোবাইল বা পিসির সাথে এবং একই সাথে আরজিবিও প্রেফার করেন তাহলে এটি আপনার উইশলিস্টে থাকলেও থাকতে পারে।
এই স্পিকারটির প্রাইজ ২৩৫০ টাকা।
Joyroom JRMS01
আমাদের তালিকায় পঞ্চম স্পিকারটি হলো জয়রুমের JRMS01 মডেলের ব্লুটুথ স্পিকারটি। এটিও আমরা বেশকিছু দিন আগে রিভিউ করেছিলাম। তাই খুব বেশি In-depth বলছি না। ডেসক্রিপশনে লিংক দেওয়া থাকবে আগের ভিডিওটির।
যাইহোক, যা বলছিলাম
ABS প্লাস্টিকে তৈরি জয়রুমের মায়া সিরিজের এই স্পিকারটির ওজন ৪৭৫গ্রামের মত। বলা যায় হাফ কেজি আরকি। স্পিকারের সামনে রয়েছে ম্যাশ ফিনিশিং।
রয়েছে 52 মিলিমিটারের ড্রাইভার।
স্টেবল কানেক্টেভিটির জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ব্লুটুথ 5.1 এবং চিপ হিসেবে ব্যবহার করেছে AC6965E অডিও চিপ।
জয়রুম ক্লেইম করছে ব্লুটুতের রেঞ্জ ১২ মিটার পর্যন্ত। তবে আপনি যদি ১২মিটার রেঞ্জ পেতে চান তাহলে অবশ্যেই এর মাঝে কোন দেয়াল বা প্রতিবন্ধকতা থাকতে পারবে না।
স্পিকারটির নিচের দিকে রয়েছে টাইপ-সি চার্জি পোর্ট, এছাড়া কিছু কন্ট্রোল বাটন। চার্জিং পোর্টের পাশেই রয়েছে একটি ছোট LED লাইট ইন্ডিকেটর।
বাটনগুলো দিয়ে আপনি স্পিকারটি অন/অফ করা, ভলিউম কমানো বা বাড়ানো, মিউজিক প্লে/পজ করতে পারবেন। বাটনগুলোর ডানপাশে পয়েছে একটি মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট।
এই ব্লুটুথ স্পিকারটি মোবাইলে ব্যবহারের পাশাপাশি আপনি আপনার কম্পিউটারেও ব্যবহার করতে পারবেন (যদি আপনার কম্পিুউটারে ব্লুটুথ থাকে)। এছাড়া আপনি একটি এক্সট্রা মাইক্রো-এসডি মেমোরি কার্ডও ব্যবহার করতে পারবেন স্পিকারটিতে। সর্বোচ্চ ৩২জিবি পর্যন্ত সাপোর্ট করবে।
স্পিকারটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ২২০০ mah এর ব্যাটারি। ৭০% ভলিউমে স্পিকারের লাইট অফ অবস্থায় ৩-৪ ঘন্টা ব্যাকআপ পাওয়া যাবে বলে ক্লেইম করছে জয়রুম।
এর ব্যাটারিটি রিচার্জ করতে সময় নিবে ৩ ঘন্টার মত। চার্জিয়ের জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইপ-সি পোর্ট।
এই স্পিকারটির প্রাইজ ৩০৫০ টাকা।
Hoco HC9
আমাদের তালিকায় ষষ্ঠ প্রোডাক্টি হলো Hoco-র আরেকটি ব্লুটুথ স্পিকার। এটির মডেল HC9 আগের মেডলটি থেকে এটি সাইজে সামান্য বড়। কিন্তু প্যাকেজিং স্টাইল একই।
প্যাকেটটি খুললেই এর প্রথমে বেড় হবে সাদা কার্ডবক্সটি। যার ভিতরে রয়েছে আমাদের স্পিকারটি।
এই সাদা বক্সটি খুললেই প্রথমে রয়েছে এর USB-C চার্জি ক্যবাল ও 3.5MM এর একটি অক্স ক্যাবল স্পিকারের সাথে ব্যবহার করার জন্য।
এ দুটো সাইডে রেখে আমরা একটু লক্ষ্য করি স্পিকারের দিকে। স্পিকারের নিচে রয়েছে মেনুয়্যাল এবং ওয়ারেন্টি কার্ড।
এই স্পিকারটিও কয়েকটি কালার ভ্যারিয়েশনে পাওয়া যায়। আমাদের কাছে রয়েছে কালো রঙেরটি।
এবার নজর দেয়া যাক এর টেকনিক্যাল দিকে। স্পিকারটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ব্লুটুথ ৫.১ এর ট্রান্সমিশন ফ্রিকোয়েন্সি হচ্ছে 2.4GHz।
1800 মিলি অ্যাম্পেয়ের ব্যাটারি থাকায় এই স্পিকারটির প্লেব্যাক টাইম হচ্ছে ৫ ঘন্টা। তবে আমাদের মনে হচ্ছে অন এন এভারেজ ৩ ঘন্টার মত ব্যাকাপ পাওয়া যাবে।
এই স্পিকারটি রিচার্জ হতেও সময় নিবে ৩ ঘন্টার মত এবং চাজিংয়ের জন্য রয়েছে ৫ ভোল্টের টাইপ-সি ডিসি পোর্ট।
Hoco HC16 মডেলের চেয়ে এই মেডেলটিতে আরজিবির আধিক্য বেশি রয়েছে। আগের মডেলটিতে শুধু বাটনগুলোর পাশেই ছোট একটু জায়গায় লাইটের ছোয়া থাকলেও এই মডেলটিতে কিন্তু চারিদিকে শুধু আরজিবি আর আরজিবি।বাটনগুলোর চারিদিকে আরজিবি। আবার দুইপাশের স্পিকারগুলোতেও রাউন্ড শেপে রয়েছে আরজিবি। মোর আরজিবি মোর সাউন্ড।
কিছু ব্যাসিক ফাংশনালিটি দেখে নেয়া যাক। সব স্পিকারের মতই পাওয়ার অন/অফ করার পদ্ধতি একই। পাওয়ার বাটনটি শর্ট প্রেস করতে অডিও প্লে/পজ করা যাবে।
এছাড়া স্পিকারটি মোবাইলের সাথে কানেক্টেড থাকা অবস্থায় কল আসলে পাওয়ার বাটনে চাপ দিয়ে কল রিসিভি বা কাটা যাবে। এবং পাওয়ার বাটনে ডাবল ট্যাপ করলে লাস্ট নাম্বারে রিডায়াল করা যাবে।
স্পিকারটির প্লাস/মাইনাস বাটনগুলো শর্ট প্রেস করলে নেক্সট অডিও এবং প্রিভিয়াস অডিওতে শিফট করা যাবে এবং লং প্রেস করলে ভলিউম কমবে এবং বারবে।
এছাড়া স্পিকারটির মুড বাটনে প্রেস করে এর মুড সুইচ করা যাবে। স্পিকারটিতে usb/sd card/fm radio এবং wireless মুড রয়েছে।
স্পিকারটিকে TWS এর সাথেও কানেক্ট করা যাবে। এজন্য দুইটি ডিভাইস অন থাকা অবস্থায় M বাটনটি ৩ সেকেন্ডর জন্য প্রেস করলে একটি বিপ সাউন্ড শোনা যাবে এবং ডিভাইস দুটি পেয়ার হবে।
এই ছিলো স্পিকারটির ডিটেইলস। এই স্পিকারটি যদি আপনার উইশলিস্টে থাকে তাহলে চেক করতে পারেন টেকস্টুডিওতে। স্পিকারটির প্রাইজ হচ্ছে 1850.
Awei Y669
আমাদের লিস্টের সপ্তম এবং সর্বশেষ স্পিকারটি হচ্ছে সবার বড় ভাই Awei Y669। মূলত আউটডোরের জন্য তৈরি এই স্পিকারটি পাশপাশি ইনডোরেও ইউজ করতে পারবেন।
Awei-ট্রেডিশনাল কালার টাচ রয়েছে এর প্যাকেজিংয়ে।
আনবক্স ডিটেইলস…
চলুন দেখে নেয়া যাক এর ইনবক্স কনটেন্ট। প্যাকেটটি খুললেই প্রথমে থাকছে স্পিকারটি। এরপর কালো প্লাস্টিকের কভারটি সরিয়ে নিলেই এর নিচে থাকছে টাইপ-সি চার্জি ক্যাবল একটি অক্স কেবল এবং অ্যাজইজুয়াল একটি ম্যানুয়াল।
এবার জনা যাক এর টেকনিক্যাল ডিটেইলস…
এই স্পিকারটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ব্লুটুথ ৫.০ + EDR যার ফলে এটি ক্লিয়ার এবং ফাস্টার ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে। এবং আপটু ১২ মিটার পর্যন্ত রেঞ্জ কভার করে। ব্লুটুথের পাশাপাশি এতে রয়েছে AUX পোর্ট অডিও প্লে করার জন্য।
অডিও প্লে করার পাশাপাশি স্পিকারটিতে রয়েছে বিল্ডইন মাইক্রোফোন। কথা বলা যাবে মোবাইলের সাথে কানেক্টেড থাকলে।
এছাড়াও স্পিকারটিতে রয়েছে TWS যদি সেম মডেলের দুটি স্পিকার থাকে তাহলে ব্যবহার করতে পারবেন স্টেরিও স্পিকার হিসেবে।
এই স্পিকারটিকে পাওয়ারআপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে 7.4 ভোল্টের ২২০০ মিলি অ্যাম্পের ব্যাটারি। এবং এই ব্যাটারিকে চার্জ করার জন্য রয়েছে টাইপ-সি পোর্ট।
তবে আপনি যদি এক সপ্তাহের বেশি স্পিকারটি ব্যবহার না করেন তাহলে ব্যবহার করা পূর্বে ১০ মিনিট চার্জ করে নেওয়ার জন্য রেকমেন্ড করেছে Awei.
এছাড়া আউটডোরে ব্যবহারের জন্য এতে রয়েছে IPX7 ওয়াটারপ্রুফ রেটিং। রাগেট এই স্পিকারটার দাম 3550 টাকা।
গ্যাজেট ক্রিটিক একটি টেক রিভিউ প্ল্যাটর্ফম। আমাদের ডে টু ডে ইউজ হয় এমন টেক গ্যাজেটের পাশাপাশি; থাকছে বিভিন্ন আউটডোর এক্টিভিটি রিলেটেড গ্যাজেট। যেমন, ক্যাম্পিং গিয়ার, বাইকপ্যাকিং গিয়ারসহ ইউনিক সব গ্যাজেটস। এছড়াও থাকছে টেক বিষয়ক ইনফরমেটিভ ভিডিও, পডকাস্ট এবং গ্যাজেট ক্রিটিসিজম।